মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপর সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ: দায় কি কেউ নেবে?
২১ জুলাই ২০২৫, বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি ভয়াবহ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। রাজধানী ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর ভবনে একটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর F-7 জেট বিমান বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় প্রাণ হারান অন্তত ২০ জন এবং আহত হন শতাধিক। তবে দুর্ঘটনার চেয়েও ভয়াবহ ছিল পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ—দুর্ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতার সময় শিক্ষার্থীদের ওপর সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ।
কি ঘটেছিল সেইদিন?
বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও স্থানীয়রা জীবন বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করে। অনেকে নিজেদের সহপাঠীদের উদ্ধার করতে এগিয়ে যায়। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে ছাত্রদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং অনেকের ওপর লাঠিচার্জ করে।
“আমরা শুধু সাহায্য করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করলো।” — এক শিক্ষার্থী
সেনাবাহিনীর এমন আচরণ কেন?
- উদ্ধারকার্যে বাধা প্রতিরোধের জন্য
- জায়গাটি সুরক্ষিত রাখার জন্য
- তবে লাঠিচার্জের যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ
ন্যায্যতা ও মানবাধিকার
এই ঘটনায় স্পষ্টভাবে মানবাধিকারের লঙ্ঘন ঘটেছে। যারা সহপাঠীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিল, তাদের নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে। শিশুদের ওপর এই আচরণ মানসিক ট্রমার কারণ হতে পারে।
কে নেবে দায়?
এই প্রশ্ন এখন পুরো দেশের সামনে। সেনাবাহিনী, সরকার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়—কেউ কি এই ঘটনার দায় নেবে? নাকি প্রতিবারের মতোই “নিরাপত্তা” শব্দের আড়ালে চাপা পড়ে যাবে?
উপসংহার
একটি জাতি তখনই উন্নত হয়, যখন তার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম—ছাত্ররা—সুরক্ষিত থাকে। আমরা কি সেই পথে যাচ্ছি?
আপনার মতামত আমাদের জানান: আপনি কী মনে করেন এই ঘটনায় সেনাবাহিনীর আচরণ ন্যায্য ছিল? নিচে মন্তব্য করুন বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।